শুক্রবার; 09 অক্টোবর 2026 আর্কাইভ
CampusLenzBD
শুক্রবার; 09 অক্টোবর 2026 | আর্কাইভ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা

বেসরকারি প্রাথমিক ও ইংরেজিমাধ্যম স্কুল আসছে সরকারের তদারকিতে: ববি হাজ্জাজ

বেসরকারি প্রাথমিক ও ইংরেজিমাধ্যম স্কুল আসছে সরকারের তদারকিতে: ববি হাজ্জাজ
ছবি: সংগৃহীত
দেশের সব বেসরকারি প্রাথমিক ও ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলগুলো সরকারি তদারকির আওতায় আনার তথ্য জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন ছাড়া কোনো কিন্ডারগার্টেন বা প্রাথমিক বিদ্যালয় তাদের কার্যক্রম শুরু করতে পারবে না বলেও জানান তিনি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রামের টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) মিলনায়তনে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ববি হাজ্জাজ বলেন, সব বেসরকারি বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন, ইংরেজিমাধ্যম বিদ্যালয় ও যত প্রাইভেট বিদ্যালয় আছে সবগুলো আগামী দিনগুলোতে অধিদপ্তরের তদারকি ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কোনো কিন্ডারগার্টেন বা প্রাথমিক বিদ্যালয় তাদের কার্যক্রম শুরু করতে পারবে না। রেজিস্ট্রেশনবিহীন কার্যক্রম পরিচালনা করলে সেগুলোকে বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। বলেন, এ ক্ষেত্রে নিবন্ধন প্রক্রিয়া যাতে আরও সহজ করা যায় সে বিষয়েও কাজ চলছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি খাতে কেউ তার বাড়ির গ্যারেজে বা দোতলায়-তিন তালায় হঠাৎ করে একটা স্কুল খুলে দিতে পারবে না। স্কুলগুলো নীতিমালা মানছে কিনা, ক্লাস রুমের সাইজ কত বড়, খেলার জায়গা কতখানি, এগুলো অনুসরণ হচ্ছে কিনা সেটা আমাদের ডিডি থেকে যারা তদারকি কর্মকর্তা আছেন, তারা দেখভাল করবেন।

তিনি আরও বলেন, এ তদারকির আওতায় স্কুলগুলোতে কোন বই পড়ানো হচ্ছে, শিক্ষাক্রমের অন্তর্ভুক্ত কী আছে, কী নেই, কোন মানের শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, তাদের প্রশিক্ষণ আছে কিনা… বলতে পারেন আমাদের সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ যে প্রশিক্ষণ নেই এমন কোনো শিক্ষক আমরা ক্লাসরুমে দেখতে চাই না।

সম্পর্কিত খবর

১০৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭৩টিতে নেই প্রধান শিক্ষক primary-mass-education

১০৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭৩টিতে নেই প্রধান শিক্ষক

প্রতিবেদক: সংগৃহীত

ভোলার দৌলতখান উপজেলায় ১০৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৭৩টিতেই প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পদগুলো শূন্য থাকায় বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম, তদারকি ও পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।